চুক্তি স্বাক্ষরের অনুষ্ঠান শেরেবাংলা নগরের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন ইআরডি সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকী এবং এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টর হো ইউন জং। এডিবি থেকে প্রকাশিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এই প্রকল্পের মাধ্যমে ২০৩০ সালের মধ্যে অন্তত ১৫ হাজার নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।
প্রকল্পটি শুধু অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করবে না, বরং ব্যাংকিং সেবার বাইরে থাকা উদ্যোক্তাদের আর্থিক অন্তর্ভুক্তিতেও সহায়তা করবে। ঋণের শর্ত অনুযায়ী, বার্ষিক মাত্র ২ শতাংশ সুদে, পাঁচ বছরের প্রেস পিরিয়ডসহ, মোট ২৫ বছরে ঋণ পরিশোধ করতে হবে।
এছাড়া, প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে ৯ লাখ ৫০ হাজার ডলারের কারিগরি সহায়তা। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংক ও অংশগ্রহণকারী আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়ন, সবুজ অর্থায়ন এবং ভ্যালু চেইনভিত্তিক ফাইনান্সিং পরিকল্পনা তৈরি করা হবে। প্রকল্পটি জলবায়ু ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা এবং সবুজ পণ্য উদ্ভাবনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে, যাতে নতুন বাজার সৃষ্টি হয় এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা সম্ভব হয়।
এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টর হো ইউন জং বলেন, “বাংলাদেশের অর্থনীতি বৈচিত্র্যময় ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করার পথে অগ্রসর। গ্রামীণ ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ খাতের উন্নয়ন দারিদ্র্য হ্রাস, আয়ের বৈষম্য কমানো এবং আঞ্চলিক সমতা বৃদ্ধিতেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। বিশেষ করে নারী উদ্যোক্তাদের দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নের সুযোগ বৃদ্ধি এবং ব্যবসা পরিচালনার দক্ষতা উন্নয়নে প্রকল্পটি সহায়ক হবে।”
এই উদ্যোগ দেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প খাতকে নতুন শক্তি দেবে এবং গ্রামীণ অর্থনীতিতে সমৃদ্ধির নতুন দিগন্ত খুলে দেবে।